নিজস্ব প্রতিবেদক : যুক্তরাজ্যে ছিলেন, বর্তমানে আছেন, প্রায় আড়াই বছর ধরে। যুক্তরাজ্য যাওয়ার পর থেকে আর দেশে ফেরা হয়নি। তবু উদ্দেশ্য প্রণোদিত দুইটি মামলায় আসামি হয়ে উদ্বীগ্ন আর উৎকণ্ঠায় তিনি বার তার পরিবার দিনপাড় করছেন৷ বলছিলাম, গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাঘা ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইমতিয়াজ আহমেদের কথা।
ইমতিয়াজ আহমেদকে গ্রেপ্তার করতে গতকাল (১৪ ডিসেম্বর) রাতের আঁধারের তার নিজ বাড়ি উপজেলার বাঘা ইউনিয়নের দক্ষিণ বাঘা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।
জানা যায়, গত ৪ মাস আগে এক মাসের ব্যবধানে তার বাড়িতে ৩ বার অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। এবার রাতের আঁধারে গোপনে অভিযান। ইমতিয়াজ আহমেদকে গ্রেপ্তার করাই হয়তো পুলিশের মূল টার্গেট।
গোপন সূত্রে জানা যায়, ইমতিয়াজ আহমেদকে গ্রেপ্তার করতে স্থানীয় প্রভাবশালী বিএনপি জামায়াতের নেতাকর্মীরা পুলিশকে বেশি পরিমাণে চাপ প্রয়োগ করছে৷ একদিকে নিজেদের কাজের সুনাম বৃদ্ধি ও রাজনৈতিক নেতাদের চাপের কারণে বার বার এমন অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ এমনটা জানা গেছে।
আরও খুঁজ নিয়ে জানা যায়, পুলিশের তল্লাশী ছাড়াও আন্দোলনের পর থেকে স্থানীয় বিএনপি জামায়াতের নেতাকর্মীরা তার বাড়িতে একাধিক বার হামলা চালিয়েছে৷ তাকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যরা হুমকি দিয়ে এসেছে৷ ইমতিয়াজকে সন্ধ্যান পেলে তাকে গুম খুন করা হবে।
এদিকে ইমতিয়াজ আহমেদের প্রবাসে থাকলেও দেশে থাকা তার পরিবারের সদস্যরা প্রতিদিন আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তার চাননা ইমতিয়াজ দেশে ফিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবরণ করুক বা স্থানীয় বিএনপি জামায়াতের নেতাকর্মীদের হামলার শিকার না হোক।
