|

ফের বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মামলায় আসামি হলে যুক্তরাজ্য প্রবাসী শহিদুল ইসলাম


নিউজ ডেস্ক : এক মামলার পরও ফের অন্য আরেকটি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলায় আসামি হলেন গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো.শহিদুল ইসলাম।

গতকাল (৬ জুন) মাননীয় অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, সিলেটে (কোতোয়ালী জি.আর মামলা নং: ২৭১/২০২৫ ইং) যাহা (কোতোয়ালী থানার মামলা নং ৬, তারিখ: ০৫/০৯/২০২৫ ইং) মামলাটি দায়ের করেন কোতোয়ালির থানার চন্দনটুলা এলাকার সিরাজ আহমদের ছেলে আলী আহমদ আলম (৩৯)। মামলার তিনি সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামানকে প্রধান আসামি করে ৫১ জনের নামোল্লেখ ও ৯০/১০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করেন। ওই মামলায় শহিদুল ইসলামকে ৩০ নম্বর আসামি করা হয়।

তিনি গোলাপগঞ্জ উপজেলার বুধবারীবাজার ইউনিয়নের চন্দরপুর গ্রামের বদরুল হকের ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে গত ৪ আগস্ট সারাদেশের ন্যায় উত্তাল হয়ে সিলেট। এদিন দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে কোতোয়ালি থানার দরগা গেইটস্থ নুরজাহান ক্লিনিকের সামনে ছাত্র-জনতা ও বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা আন্দোলনের সাথে একাত্মতা পোষণ করে শান্তিপূর্ণ মিছিল সমাবেশ করছিলো। শান্তিপূর্ণ মিছিল সমাবেশ রুখতে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিলো। এসময় হঠাৎ করে মামলার ১নং আসামির নেতৃত্বে অন্য আসামিরা ছাত্র-জনতা ও বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের উপর দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রের এলোপাতাড়ি ছুঁড়া গুলি থেকে বাঁচতে সমাবেশকারীরা দিগবিদিক ছুটতে থাকে।

আরও জানা যায়, এসময় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের গুলির ও দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে বাদিসহ অনেক ছাত্র-জনতা ও বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা আহত হোন।

এদিকে প্রবাসে থেকেও একেরপর এক মামলার কারণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন মো.শহিদুল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা৷ মামলার ভয় ও প্রায় সময় হুমকি ধমকির কারণে চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন তারা। প্রবাসে অবস্থান করা শহিদুল ইসলামও রয়েছেন দুশ্চিন্তায়।

Post a Comment

Previous Post Next Post